মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ মে ২০১৬

তুলাভিত্তিক আন্তঃফসল চাষ

তুলাভিত্তিক আন্তঃফসল চাষ

 

তুলার সাথী ফসল

এক খন্ড জমিতে একই সাথে কোন প্রধান ফসলের পাশাপাশি স্বল্পসময়ের জন্য অতিরিক্ত হিসেবে দুই বা ততোধিক ফসল চাষের পদ্ধতিকে সাথী ফসল চাষ বলা হয় এবং অতিরিক্ত ফসলটিকে বলা হয় সাথী ফসল। তুলার সাথে সাথী ফসল চাষের প্রধান উদ্দেশ্য হলো একই সাথে একই জমিতে একাধিক ফসল আবাদ করে অধিক মুনাফা অর্জন করা।

সাথী ফসল চাষের উপকারিতা

(১)

একক ফসলের চেয়ে আমত্ম:ফসল চাষ করে মোট উৎপাদন বেশী পাওয়া যাবে এবং মোট আয় বৃদ্ধি পায়।

(২)

আমত্ম:ফসল চাষে জায়গা ও সময়ের সদ্ব্যবহার করা যায়।

(৩)

কোন কারণে একটি ফসল নষ্ট হলে অন্যটি দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব।

(৪)

এতে প্রাকৃতিক সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার হয়।

(৫)

ভূমি ক্ষয় ও আগাছার প্রকোপ কম হয়।

 

 

সাথী ফসল নির্বাচন

সঠিক সাথী ফসল নির্বাচন যেমন একজন চাষিকে অত্যমত্ম লাভবান করতে পারে, তেমনি ভুল ফসল নির্বাচনের ক্ষেত্রে চাষি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সাথী ফসল নির্বাচনে নিম্নোক্ত বিষয়াবলী মনে রাখতে হবে:-

(ক)

সাথী ফসলের বৃদ্ধি ও পরিপক্কতার সময় মূল ফসলের বৃদ্ধি পরিপক্কতার সময়ে ভিন্নতা থাকবে।

(খ)

সাথী ফসল যেন তুলার সাথে আলো, বাতাস, পানি, খাদ্যোপাদান এবং জায়গা নিয়ে কোন প্রতিযোগিতা না করে।

(গ)

সাথী ফসলের ক্ষতিকর প্রভাব যেন তুলার ওপর না পড়ে।

(ঘ)

সাথী ফসলের পরিচর্যা পদ্ধতি যেন তুলার পরিচর্যার সাথে মিল থাকে।

(ঙ)

সাথী ফসলের পোকা-মাকড় ও রোগ-বালাই যেন তুলা ফসলকে আক্রমণ না করে।

(চ)

তুলা গাছকে পেঁচিয়ে আরোহণ করতে পারে এমন সাথী ফসল অমত্মর্ভূক্ত করা যাবে না।

 

 তুলার সাথে বারিমুগ-৬ ও বারিমাস-৩ চাষাবাদ পদ্ধতি

১। সুনিষ্কাশিত বেলে-দোঁআশ/দোঁআশ মাটিতে মুগ/মাসকলাই ভাল হয় বিধায় এ ধরনের জমিই তুলার সাথে মুগ/মাসকলাই সাথী ফসল বপনের জন্য নির্বাচন করতে হবে। ২-৩টি চাষ দিয়ে জমি প্রস্ত্তত করে নিতে হবে।

২। জমি খুব অনুর্বর না হলে মুগ/মাসকলাই ফসলে আলাদা সার প্রয়োগের প্রয়োজন নাই। তবে তুলার ১ম পার্শ্ব প্রয়োগে টিএসপি, এমপি, জিপসাম, বোরণ প্রভৃতি সার প্রয়োগ করলে মুগ/মাসকলাই এর সারের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। তুলায় সার প্রয়োগের পর অবশ্যই মাটি দিয়ে সার ভালভাবে ঢেকে দিতে হবে।

৩। জুলাই-আগষ্ট মাসে তুলার সাথে মুগ/মাসকলাই এর বীজ বপন সময়।

৪। তুলার মাঝে সাথি ফসল হিসেবে হেক্টর প্রতি ৭-৮কেজি বা ৩৩ শতকের বিঘায় ১কেজি বীজ প্রয়োজন হয়।

৫। দুই সারি তুলার মধ্যে এক সারি করে লাইনে মুগ/মাসকলাই বীজ বপন করতে হবে। তুলা বীজ বপনের সময় মুগের বীজের বপন দুরত্ব ৭-৮ সেঃ মিঃ রেখে বপন করতে হবে। জমিতে রস কম থাকলে বপনের পূর্বে বীজতুলা ৩/৪ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে বপন করা ভাল। উলেস্নখ্য, বপনের সময় লাইনে পাতলা করে অনবরত বীজ দিয়ে পরবর্তীতে চূড়ামত্মভাবে চারা পাতলা করে গাছ থেকে গাছের দুরত্ব ৭-৮ সেমিঃ এর মধ্যে রাখা যায়।

  

অমত্মবর্তী কালীন পরিচর্যা

আগাছা দমন ও চারা পাতলাকরণঃ

বপনের ১৫-২০ দিন পর যখন তুলার চূড়ামত্ম চারা পাতলা করা হয় তখনই একই সাথে আগাছা দমন করে মুগের  চারাও  পাতলা করে দিতে হবে।

পানি সেচ ও নিস্কাশনঃ

খরিপ-২ মৌসুমে মুগের জন্য আলাদা করে কোন সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে জমিতে অতিবৃষ্টির ফলে পানি দাঁড়িয়ে গেলে তা নালা কেটে দ্রম্নত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

পোকা মাকড় ব্যবস্থপনাঃ

দমনের কীট পতঙ্গ দমনের ক্ষেত্রে সাধারণত তুলা ফসলের জন্য ব্যবহৃত কীটনাশক একই সাথে তুলা ও মুগের জন্য প্রয়োগ করলেই ভাল ফল পাওয়া যায়। মুগের জন্য আলাদা ব্যবস্থা প্রয়োজন হয় না। তবে মুগের ফুল আসার সময়  থ্রিপস এর আক্রমনে ফুল ফলে পরিনত হতে পারে না, তাই ফুল আসলে একতারা/এসাটাফ প্রয়োগ করে তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

 

ফসল সংগ্রহ, মাড়াই এবং সংরক্ষণ  

বপনের ২ মাসের মধ্যে শুটি পরিপক্ক হয়ে কালচে রং ধারণ করে। শুটিসহ গাছ কেটে সংগ্রহ করে দিনে সূর্যালোকে শুকিয়ে ও পরিস্কার স্থানে লাঠি পিটিয়ে মাড়াই করতে হয়। মাড়াইয়ের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন আঘাতজনিত কারণে  বীজের গুনাগুন নষ্ট না হয়। মুগের বীজ ভালভাবে শুকিয়ে ফসটক্রি্ন/ন্যাপথলিন/নিম পাতাসহ পস্নাষ্টিকের বোতলে/জেরিকেনে/পলিথিন প্যাকেটে বায়ুরম্নদ্ধ অবস্থায় সংরক্ষণ করতে হয়। ফল সংগ্রহের পর মুগ/মাসকলাই গাছ তুলার দু সারির মাঝে বিছিয়ে হালকা কুপিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় বেধে দিলে মাটিতে সবুজ সার যোগ হবে।

তুলার আইলে ফাঁদ ফসল চাষঃ তুলা জমির আইলে গাঁদা ফুল, ভুট্টা, অড়হর, ঢেঁড়স, বরবটি, সীম, তিল ইত্যাদি ফসল চাষ করা হলে একদিকে এগুলো যেমন তুলার পোকার ফাঁদ ফসল হিসেবে কাজ করবে, অপরদিকে বাড়তি আয় পাওয়া যাবে।

তুলার সাথে তিল: দু’লাইন তুলার সাথে এক লাইন তিল একই সময় শ্রাবণ মাসে বপন করা যায়।

তুলার সাথে চীনাবাদাম: শ্রাবণের শেষে তুলা এবং বাদাম একই সাথে লাগাতে হয়। দু’লাইন তুলার মাঝে দু’লাইন বাদাম ৩০ সে:মি: ´ ১৫ সে:মি: দুরত্ব দিয়ে লাগাতে হয়।

তুলার সাথে শাক-সব্জি চাষ: তুলা বপনের পর দু’সারির মাঝে স্বল্প মেয়াদী শাকসব্জি শ্রাবণ মাসে ছিটিয়ে বপন করতে হয়। সবজি চারা গজানোর ৭-৮ দিন পর বিঘা প্রতি ৫-৮ কেজি ইউরিয়া সার ছিটাতে হয়। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে সবজি খাবার উপযুক্ত হয় এবং নিড়ানী দেয়ার সময় তুলে ফেলতে হয়। লাল-শাক, ডাটা-শাক, মূলা-শাক, কলমী-শাক, ধনে পাতা সাথী ফসল হিসাবে চাষ করা যায়। গীমা কলমীর বেলায় দু’লাইন তুলার মাঝে দু’লাইন গীমা কলমী ১৫ সে:মি: ´ ১০ সে:মি: দুরত্ব দিয়ে লাগাতে হয়। ২০-২৫ দিনে প্রথম কলমী শাক সংগ্রহ করা যায়। সংগ্রহের পর বিঘাপ্রতি ৫-৮ কেজি ইউরিয়া ছিটাতে হয়। এভাবে প্রায় তিনবার কলমী শাক সংগ্রহ করা যায়। এছাড়া, তুলার সাথে সাথী ফসল হিসাবে আরলি-৪০ জাতের মূলা, শসা, বাঁধাকপি, ফুলকপি চাষ করা যায়।

তুলার সাথে রিলে ফসলের চাষ পদ্ধতি

আদা/হলুদের সাথে তুলার চাষ: বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে ৯০ সে:মি:´২০ সে:মি: দুরত্ব দিয়ে আদা/হলুদ লাগাতে হয়। এরপর শ্রাবণ মাসে দু’লাইন আদা/হলুদের মাঝে এক লাইন তুলার বীজ ৪৫ সে:মি: অমত্মর ডিবলিং পদ্ধতিতে বপন করতে হয় এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যা অব্যাহত রাখতে হয়। 

কলার সাথে তুলার চাষ: সম্প্রতি কলা ক্ষেতের মধ্যে সাথী ফসল হিসেবে তুলা উৎপাদন করা হচ্ছে। কলার চারা যখন ছোট থাকে এবং সারি থেকে সারির দুরত্ব ৬-৯ ফুট, তখন এ ফাঁকা জায়গায় সারিতে ডিবলিং পদ্ধতিতে শ্রাবণ মাসে তুলাবীজ বুনে সাধারণ নিয়মে তুলা উৎপাদন করা যায়। তবে নতুন কলা বাগানে প্রথম বছরে কেবল তুলা ভালো হয়।

নতুন বাগানে তুলার চাষ: নতুন ফল বাগান যেমন- আম, কাঁঠাল, লিচু ইত্যাদি অথবা অন্যান্য গাছের বাগান যেমন- মেহগনি ইত্যাদিতে প্রথম ২/৩ বছর অনায়াসে তুলার চাষ করা যায়। বাগানের গাছের দু‘সারির মাঝে চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করে নির্দিষ্ট দুরত্বে তুলাবীজ বপন করা যায়। এতে বাগানের পরিচর্যার পাশাপাশি তুলা থেকে বাড়তি লাভ পাওয়া যায়।

মরিচের সাথে তুলার চাষ: মার্চ থেকে মধ্য এপ্রিলের মধ্যে বৃষ্টিপাত শুরম্ন হলে বারি মরিচ-১ জাত (বাংলা লংকা) ৪০ সে:মি:´৩০ সে:মি: দুরত্ব দিয়ে লাগাতে হয়। এরপর জুলাই-আগস্ট মাসে দু’সারি মরিচ মাঝে ১ সারি তুলা ডিবলিং পদ্ধতিতে বপন করতে হয়। মরিচ গাছ মরে যেতে থাকবে এবং তুলার প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের চাষিরা এই পদ্ধতি অবলম্বন করছেন।

আউশ ধানের সাথে তুলার চাষ: আউশ ধান পাকতে দেরি হলে তুলার বীজ সময় মত বুনতে হলে আউশ ধান কাটার আগেই ধানের গাছ বিলি করে দু’পাশে সরিয়ে লাইন করতে হয়। এই লাইন বরাবর ডিবলিং পদ্ধতিতে তুলার বীজ বপন করতে হয়। ধান কাটার পর কোদাল দিয়ে কুপিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে দিতে হয় এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যা নিলে তুলার আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায়। কুষ্টিয়া জোনের প্রাগপুর ও অন্যান্য ইউনিটের চাষিরা এই পদ্ধতি অবলম্বন করছেন।

তুলার সাথে গমের চাষ: নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যমত্ম তুলা ফসলের মাঝে গম বীজ বোনা যায়। এই সময় তুলার ২/১টি পিকিং হয়ে থাকে। বৃষ্টি হলে অথবা সেচ দিয়ে জমি ‘জো’ অবস্থা সৃষ্টির পর দু’লাইন তুলার মাঝে কোদাল দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিয়ে গম বুনতে হয়। পাশাপাশি তুলা উঠানো চলতে থাকে। গমের বীজ ১৪০ কেজি/হেক্টর হিসেবে বুনতে হয়। ইউরিয়া অর্ধেক, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম যথাক্রমে ১৪০, ১৭৫, ৬০, ১০০ কেজি/হেক্টর বেসাল হিসেবে গমের জন্য পৃথকভাবে ব্যবহার করতে হয়। অবশিষ্ট অর্ধেক ইউরিয়া গমের চারার বয়স ১৫-২০ দিনের মধ্যে পার্শ্ব প্রয়োগ করতে হয়। জমিতে রস থাকলে ২১/২২ দিনের মাথায় ১টি সেচ দিলে চলে। কিন্তু রসের অভাব থাকলে একাধিক সেচ দিতে হয়। এতে একই সাথে তুলা ও গমের ভাল ফলন পাওয়া যায়।

আখের সাথে তুলার চাষ: স্বাভাবিকভাবে শ্রাবণ মাসে তুলা বপনের পর মাঘ/ফাল্গুন মাসে তুলার সারির মাঝে নালা কেটে নিয়মমাফিক আঁখ লাগাতে হবে। এরপর তুলা পিকিং শেষে একটি সেচ দিয়ে ইউরিয়া সার স্প্রে করতে হয়। যশোর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, রংপুর বিশেষ করে রাজশাহী জোনের বড়াল নদীর দু’পাশের এলাকাগুলোতে অাঁখের সংগে তুলাচাষের ব্যাপক সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

 

 

 

                                              তুলাভিত্তিক শস্যবিন্যাস

একখন্ড জমিতে এক বছরে আনুক্রমিকভাবে একাধিক শস্য চাষ করার পদ্ধতিকে শস্যবিন্যাস বলে। সঠিক শস্যবিন্যাস প্রবর্তন করলে সারা বছর ধরে জমির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা যায়। জমির উর্বরতা রক্ষিত হয় এবং বাৎসরিক আয় বৃদ্ধি পায়।

একখন্ড জমিতে এক বছরে আনুক্রমিকভাবে একাধিক শস্য চাষ করার পদ্ধতিকে শস্যবিন্যাস বলে। সঠিক শস্যবিন্যাস প্রবর্তন করলে সারা বছর ধরে জমির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা যায়। জমির উর্বরতা রক্ষিত হয় এবং বাৎসরিক আয় বৃদ্ধি পায়।

তুলার জমিতে শস্যবিন্যাসের মাধ্যমে অন্যান্য ফসলও উৎপাদন করা যায়। এতে বছরের অবশিষ্ট সময় জমি পতিত থাকবে না। তুলাভিত্তিক যে সকল শস্যবিন্যাস অনুসরণ করা যায় সেগুলো হলো:-

 

তুলাভিত্তিক শস্যবিন্যাসঃ

 

১।

তুলা-পাট/মেসত্মা

(৭)

তুলা-তিল-ডাটা

২।

তুলা-আউশ ধান

(৮)

তুলা-মরিচ

৩।

তুলা-ভুট্টা

(৯)

তুলা-তরমুজ/মিষ্টি কুমড়া

৪।

তুলা-মুগ (সামার মুগ)

(১০)

তুলা-ওলকচু

৫।

তুলা-বিভিন্ন শাক-সব্জি (লাল শাক,

(১১)

তুলা-বাদাম

 

ডাটা শাক, কলমী শাক, পুঁই শাক ইত্যাদি

(১২)

তুলা+গম-বরবটী

৬।

তুলা+গম-ডাটা

(১৩)

তুলা-গম (নাবী জাত)

 

আমাদের দেশে চাষকৃত অধিকাংশ জাতই বীজ বপন থেকে তুলা সংগ্রহ পর্যমত্ম প্রায় ৭ মাস (শ্রাবণ মাস থেকে মাঘ মাস পর্যমত্ম) সময় লাগে। বছরের বাকী ৫ মাস (ফাল্গুন থেকে আষাঢ় পর্যমত্ম) সময় তুলার জমি পতিত থাকে। এই ৫ মাস সময়ের মধ্যে যে সকল ফসল সার্থকভাবে উৎপাদন করা যায় নিমেণ তুলা ভিত্তিক শস্যবিন্যাসে তা দেখানো হলো:

মাসওয়ারী তুলা ভিত্তিক শস্যবিন্যাস

 

শ্রাবণ থেকে মাঘ

ফাল্গুন থেকে আষাঢ়

জুলাই - ফেব্রম্নয়ারী

মার্চ - জুন

১।

তুলা

পাট/মেসত্মা

২।

তুলা

আউশ ধান

৩।

তুলা

ভূট্টা

৪।

তুলা

মুগ ডাল (সামার মুগ)

৫।

তুলা

শাক, সব্জি (লাল শাক, ডাটা, গীমা কলমী, পুঁইশাক)

৬।

তুলা

তিল-ডাটা

৭।

তুলা

গম (নাবী জাত/রিলে চাষ)

৮।

তুলা

মরিচ

৯।

তুলা

ওলকচু

১০।

তুলা

বাদাম

১১।

তুলা

তরমুজ/মিষ্টি কুমড়া

১২।

তুলা

+গম (রিলে চাষ)-বরবটী

১৩।

তুলা

+গম (রিলে চাষ)-ডাটা

১৪।

তুলা

বোরো ধান

গম, তরমুজ ও মিষ্টি কুমড়া রিলে ফসল হিসেবে তুলা ফসলের ভিতর মধ্য নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে বপন করা যায়। এছাড়া মার্চ/এপ্রিল মাসে বৃষ্টি শুরম্ন হলে যথানিয়মে আদা, হলুদ লাগিয়ে পুরো জুলাই/আগস্ট মাসে রিলে ফসল হিসেবে ডিবলিং পদ্ধতিতে তুলার চাষ করা যায়।


Share with :
Facebook Facebook